শিং মাগুর মাছ চাষের ঝুঁকিসমূহ কী কী?

QuestionsCategory: Aquacultureশিং মাগুর মাছ চাষের ঝুঁকিসমূহ কী কী?
Anonymous asked 4 years ago
Евгения replied 2 weeks ago

Перезвоните пожалуйста по телефону 8 (499) 322-46-85, не обращайте внимания на слова робота, дожитесь ответа, Евгения.

Евгения replied 2 weeks ago

Перезвоните пожалуйста по телефону 8 (499) 322-46-85, не обращайте внимания на слова робота,зависла АТС, дожитесь ответа, Евгения.

Евгения replied 2 weeks ago

Перезвоните пожалуйста по телефону 8 (499) 322-46-85, не обращайте внимания на слова робота,зависла АТС, дожитесь ответа, Евгения.

Дмитрий replied 2 weeks ago

Перезвоните мне пожалуйста 8(812) 984-74-51, Дмитрий.

Екатерина replied 1 week ago

Перезвоните мне пожалуйста 8 (499) 322-46-85, Екатерина.

Екатерина replied 1 week ago

Перезвоните мне пожалуйста 8 (812)309-40-10, Екатерина.

Валерий replied 1 week ago

Перезвоните пожалуйста по телефону 8 (499) 322-46-85 , Валерий.

Николай replied 3 days ago

Перезвоните мне пожалуйста 8 (812)309-40-10, Николай.

Олег replied 3 days ago

Перезвоните пожалуйста по телефону 8 (499) 322-46-85, Извините подвисла Станция, дождитесь ответа оператора, Олег.

Олег replied 12 hours ago

Перезвоните пожалуйста по телефону 8 (812) 309-40-10, Олег.

*

1 Answers
Anonymous answered 4 years ago

শিং ও মাগুর মাছ চাষে ঋতুভিত্তিক কিছু ঝুঁকি থাকে। তাই সঠিক ব্যবস্থাপনা না নিলে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি অনেক সময় সমস্ত চাষ ব্যবস্থা হুমকির সম্মূখে পড়তে পারে।

  1. বর্ষাকালীন ঝুঁকিঃ বর্ষাকালীন অতিবৃষ্টি বা বন্যায় সমস্ত মাছ ভেসে যেতে পারে। হালকা গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতে পরিপক্ব শিং ও মাগুর পুকুরের পাড় বেয়ে অন্যত্র চলে যেতে পারে। এ কারণে পুকুরের পাড়ের চারিদিকে বাঁশের বানা বা বেড়া অথবা প্লাস্টিক নেটের সাহায্যে ১.৫ ফুট উচু করে বেষ্টনি দেয়া যেতে পারে।
  2. শুষ্ক মৌসুমের ঝুঁকিঃ শুষ্ক মৌসুমে পুকুরের পানি শুকিয়ে পানির গভীরতা কমে যেতে পারে। এতে পানির তাপমাত্রা বেড়ে পানিতে দ্রবিভুত অক্সিজেন স্বল্পতার সৃষ্টি হতে পারে। এজন্য পানি সেচের মাধ্যমে পুকুরের পনির গভীরতা বাড়াতে হবে। গ) শীতকালীন ঝুঁকিঃ শীতে (১৫ ডি.মস. সে. তাপের নিচে) শিং ও মাগুর মাছ চাষে রোগের প্রাদূর্ভাব বেশি হয় সে জন্য শীতের ২-৩ মাস শিং ও মাগুর মাছ চাষ না করাই ভাল। তবে এ সময়ে মাছ বা পোনা সংরক্ষণের জন্য প্রতি দিন ভোরে ডিপটিউব-ওয়েল এর পানি দিয়ে পানির তাপমাত্রা বাড়িয়ে রাখা যায়।
  3. ক্ষতিকর গ্যাসঃ খাদ্যের অবশিষ্টাংশ এবং মাছের মলমূত্রের কারণে পুকুরের তলদেশে ক্ষতিকর গ্যাস জমে বুদবুদের সৃষ্টি করতে পারে এবং পানিতে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হতে পারে। পুকুরের তলদেশে জমে থাকা ক্ষতিকর গ্যাস অপসারণের জন্য ২-৩ দিন পর পর দুপুরের সময় পানিতে নেমে তলদেশ আলোড়িত করার ব্যবস্থা করতে হবে। কাজটি হর্রা টেনেও করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে শতকে ২৫০ গ্রাম হারে চুন প্রয়োগ করা যেতে পারে। জিওলাইট প্রয়োগেও ভাল ফলাফল পাওয়া যায়।
  4. মাছের স্বাভাবিক রং না আসাঃ অধিক ঘনত্বে শিং ও মাগুর মাছ চাষ করলে মাছের গায়ের স্বাভাবিক রং আসে না। এতে ভোক্তার কাছে মাছের গ্রহণ যোগ্যতা কমে যায়, ফলে বাজার দর কম পাওয়া যায়। এ সমস্যা দুর করার জন্য মাছ বাজারজাত করার কমপক্ষে ১৫ দিন পূর্বে পুকুরের ১/৪ অংশে কচুরী পানা অথবা টোপা পানা দেয়া যেতে পারে। তবে বাজারজাত করার পর কচুরী পানা অপসারণ করে ফেলে দিতে হবে।
  5. মাছ চুরিঃ এটা একটি সাধারণ সমস্যা বা সামাজিক ঝুঁকি। পুকুরের মাছ বড় হলে এ ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই বড় মাছগুলো আহরণ করলে চুরি হওয়ার সম্বাবনা কমে যায়। এ ছাড়াও মাছ চাষিকে সমাজের অন্যদের সাথে উত্তম সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে এবং ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব এড়িয়ে চলতে হবে। উৎপাদিত মাছ থেকে কিছু মাছ পুকুরের পার্শ্বে বসবাসকারীদের মাঝে সৌজন্যমূলুক বিতরণ করতে হবে।

 
তথ্যসূত্র: DoF