পিয়ারসন্স বর্গ পদ্ধতি কি? এই পদ্ধতিতে কিভাবে মাছের খাবারের পুষ্টিমান নির্ধারণ করা যায়?

Anonymous asked May 26, 2015
  1. Anonymous May 28, 2015
    আমি যুক্ত থাকতে চাই
  2. Anonymous May 28, 2015
    Its nice....................
  3. Anonymous September 15, 2015
    I like it
  4. Anonymous June 3, 2016
    Very good!
  5. Anonymous June 3, 2016
    Very good and useful for fish farmers.
  6. Anonymous June 18, 2016
    Easy to understand & helpful
  7. Anonymous October 28, 2016
    মাছের খাবার তৈরীর পিলেট মেসিনের দাম কত?

*

1 answer

খাদ্যের পুষ্টিমান নির্ধারণঃ
খাদ্য প্রস্ত্ততির জন্য নির্বাচিত উপকরণসমূহের পুষ্টি উপাদান আমিষ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যয়বহুল। এ জন্য মাছের খাদ্য তৈরির সময় শুধুমাত্র আমিষের মাত্রা হিসাব করা হয়। মাছের খাদ্যে আমিষের মাত্রা নিরুপণের জন্য কৌনিক সমীকরণ পদ্ধতি বহুল প্রচলিত। এই পদ্ধতিটি পিয়ারসন্স বর্গ পদ্ধতি (Pearson’s Square Method) নামে পরিচিত।
 
পিয়ারসন্স বর্গ পদ্ধতিঃ
ধরা যাক, ফিসমিলে ৬০% ও চালের কূঁড়া ৮% আমিষ আছে। এ দুইটি উপকরণ ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করতে হবে এবং প্রস্ত্ততকৃত খাদ্যে আমিষের মাত্রা হবে ৩০%। পিয়ারসন্স বর্গ পদ্ধতি ব্যবহার করে আমাদের ফিসমিল ও চালের কুঁড়ার অন্তর্ভূক্তির মাত্রা নির্নয় করতে হবে।

Pearson's Square Method

এই পদ্ধতিতে (চিত্রানুসারে) –

  • প্রথমেই উপরের মত করে একটি বর্গ আঁকতে হবে এবং প্রত্যাশিত আমিষের মাত্রা (৩০%) বর্গের মাঝখানে লিখতে হবে।
  • বর্গের বাম পার্শ্বে দু’টি উপকরণের নাম তাদের আমিষের মাত্রাসহ লিখতে হবে। যেমন- ফিসমিল ৬০% ও চালের কুঁড়া ৮%
  • প্রত্যাশিত আমিষের মাত্রা থেকে উপকরণের আমিষের মাত্রা বিয়োগ করতে হবে এবং বিয়োগ ফল বর্গের উপকরণের বিপরীত কোণে অর্থাৎ বর্গের কর্ণের শেষে লিখতে হবে। যেমন- (৩০-৮) = ২২ ও (৩০-৬০) = – ৩০
  • বিয়োগ ফল ঋনাত্মক হলে তা ধনাত্মক হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। যেমন, – ৩০ শুধুমাত্র ৩০ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে
  • বর্গের ডানদিকে সংখ্যাগুলোকে যোগ করতে হবে। যেমন- ৩০+২২ = ৫২
  • অতঃপর ডান দিকের যোগফল দিয়ে নিচের পদ্ধতি অনুসরন করে শতকরা হার বের করতে হবে।

এখানে ফিসমিল ও চালের কুঁড়ার অন্তর্ভূক্তির মাত্রা-
ফিসমিল = ২২/৫২ x১০০ = ৪২.৩১ % [এখানে, ৩০+২২=৫২]
চালের কুঁড়া = ৩০/৫২x১০০ = ৫৭.৬৯ % [এখানে, ৩০+২২=৫২]
অর্থাৎ ৩০ % আমিষ সমৃদ্ধ প্রতি ১০০ কেজি খাবার তৈরিতে ফিশমিল ৪২.৩১ কেজি এবং চালের কুঁড়া ৫৭.৬৯ কেজি মেশাতে হবে।
 
এখন, প্রত্যাশিত আমিষের মাত্রা সঠিক আছে কিনা, তা সহজেই যাচাই করে নেয়া যায়। যেমন-
চালের কুঁড়া থেকে প্রাপ্ত আমিষের পরিমাণ = ৫৭.৬৯ x ৮ / ১০০ = ৪.৬১ %
অর্থাৎ মোট আমিষের পরিমাণ = ২৫.৩৯ % + ৪.৬১ % = ৩০ %

—————————————–
তথ্যসূত্র: DoF, Bangladesh

#1
  1. Anonymous May 28, 2015
    Really nice............
  2. Anonymous May 28, 2015
    please provide the procedure of multi items of feed
  3. Anonymous May 29, 2015
    Thank you sir for your nice document.
  4. Anonymous June 14, 2016
    দুই এর অধিক খাদ্য উপাদানের ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত বেশি মাত্রার আমিষযুক্ত উপাদান গুলো একটি গ্রুপে নিতে হবে এবং কম মাত্রার আমিষযুক্ত উপাদান গুলো আরেকটি গ্রুপে নিতে হবে। এখন এই দুই গ্রুপ এর মান গুলোর গড় বের করে নিলেই হবে। তারপর বাকী নিয়ম একই পদ্ধতিতে করতে হবে।

Please login or Register to Submit Answer

Latest Q&A

Like our FaceBook Page to get updates


Are you satisfied to visit this site? If YES, Please SHARE with your friends