ভেজাল সার চেনার উপায় কি?

2 answers

Anonymous December 12, 2014

ইউরিয়া সার চেনার উপায়:
আসল ইউরিয়া সারের দানাগুলো সমান হয়। তাই কেনার সময় প্রথমেই দেখে নিতে হবে যে সারের দানাগুলো সমান কিনা। ইউরিয়া সারে কাঁচের গুড়া অথবা লবণ ভেজাল হিসাবে যোগ করা হয়। চা চামচে অল্প পরিমান ইউরিয়া সার নিয়ে তাপ দিলে এক মিনিটের মধ্যে অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝালো গন্ধ তৈরি হয়ে সারটি গলে যাবে। যদি ঝাঁঝালো গন্ধ সহ গলে না যায়, তবে বুঝতে হবে সারটি ভেজাল।

টিএসপি সার চেনার উপায়:
টিএসপি সার পানিতে মিশালে সাথে সাথে গলবে না। আসল টিএসপি সার ৪ থেকে ৫ ঘন্টা পর পানির সাথে মিশবে। কিন্তু ভেজাল টিএসপি সার পানির সাথে মিশালে অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই গলে যাবে বা পানির সাথে মিশে যাবে।

ডিএপি সার চেনার উপায়:
ডিএপি সার চেনার জন্য চামচে অল্প পরিমান ডিএপি সার নিয়ে একটু গরম করলে এক মিনিটের মধ্যে অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝালো গন্ধ হয়ে তা গলে যাবে। যদি না গলে তবে বুঝতে হবে সারটি সম্পূর্ণরুপে ভেজাল। আর যদি আংশিকভাবে গলে যায় তবে বুঝতে হবে সারটি আংশিক পরিমান ভেজাল আছে। এছাড়াও কিছু পরিমান ডিএপি সার হাতের মুঠোয় নিয়ে চুন যোগ করে ডলা দিলে অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝালো গন্ধ বের হবে। যদি অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝালো গন্ধ বের না হয় তাহলে বুঝতে হবে সারটি ভেজাল।

এমওপি বা পটাশ সার চেনার উপায়:
পটাশ সারের সাথে ইটের গুড়া ভেজাল হিসাবে মিশিয়ে দেয়া হয়। গ্লাসে পানি নিয়ে তাতে এমওপি বা পটাশ সার মিশালে সার গলে যাবে। তবে ইট বা অন্য কিছু ভেজাল হিসাবে মিশানো থাকলে তা পানিতে গলে না গিয়ে গ্লাসের তলায় পড়ে থাকবে। তলানি দেখে সহজেই বুঝা যাবে সারটি আসল নাকি ভেজাল।

জিংক সালফেট সার চেনার উপায়:
জিংক সালফেট সারে ভেজাল হিসাবে পটাশিয়াম সালফেট মেশানো হয়। জিংক সালফেট সার চেনার জন্য এক চিলতে জিংক সালফেট হাতের তালুতে নিয়ে তার সাথে সমপরিমান পটাশিয়াম সালফেট নিয়ে ঘষলে ঠান্ডা মনে হবে এবং দইয়ের মতো গলে যাবে।
 
তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্যস সার্ভিস

#1

Anonymous January 5, 2015

ভেজাল এমওপি সার সনাক্তকরণের পদ্ধতি:
১। আধা চা চামচ এমওপি সার আধা গ্লাস পানিতে মিশালে সঠিক এমওপি সার সম্পুর্ণ দ্রবীভূত হয়ে পরিষ্কার দ্রবন তৈরি করবে। কিন্তু সারের নমুনায় কিছু অদ্রবনীয় বস্তু যেমন: বালি, কাঁচের গুড়া, মিহি সাদা পা্থর, ইটের গুড়া ইত্যাদি মেশালে তা তলানী আকারে গ্লাসের নীচে জমা হবে।
২। প্রকৃত এমওপি সার ঝুরঝুরে এবং হাত দিয়ে চাপ দিলে দলা বাধবে না।

৩। সারের নমুনায় অন্য কোন রং মিশালে পানির রং সেই অনুযায়ী হবে এবং রং ভেসে উঠবে এছাড়া হাতে রং লেগে যাবে। প্রকৃত এমওপি সারের দ্রবণটি স্বচ্ছ এবং হালকা লাল রং এর হবে এবং হাতের আঙ্গুল অথবা টিস্যু পেপার ডুবানো হলে হাতের আঙ্গুল অথবা টিস্যু পেোরে কোন রং লেগে থাকবে না।
৪। আধা গ্লাস পানিতে ৫ চা চামুচ পরিমান এমওপি সার গলিয়ে ৫ মিনিট পর গ্লাসের হাতে হাত দিলে খুব ঠান্ডা অনুভব হলে নমুনাটি প্রকৃত এমওপি সার, অন্যদিকে অধিক লবন বা ম্যাগনেসিয়াম সালফেট দিয়ে তৈরি ভেজাল এমওপি সারের পানির দ্রবণে কম ঠান্ডা অনুভব হবে।
৫। ২-৩ চা চামচ এমওপি সার খোল‍া অবস্থায় ১২-২৪ ঘন্টা বাতাসে রেখে দিলে যদি নমুনাটি ভিজে উঠে তবে ধারনা করা যেতে পারে যে নমুনাটিতে খাবার লবন মিশিয়ে ভেজাল দেয়া হয়েছে। খাবার লবন বাতাস থেকে জলীয় বাস্প শোষন করার ফলে গলে যায়। প্রকৃত এমওপি সার বাতাসে রাখলে ভিজে উঠবে না।

#2

Please login or Register to Submit Answer

Latest Q&A

Like our FaceBook Page to get updates



Are you satisfied to visit this site? If YES, Please SHARE with your friends

To get new Q&A alert in your inbox, please subscribe your email here

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner